বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 29, 2026

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

দনিয়া কলেজের সামনে দুর্বৃত্তের ধারালো ছুরিকাঘাতে তাজুল ইসলাম (১৮) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। সে চলতি বছর এ. কে স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে।

বুধবার (১০ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করে।

প্রতিবেশী মারুক জানায়, দনিয়া কলেজের সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে পাশের একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আমরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত তাজুল ইসলামের দুলাভাই আশিকুর রহমান বলেন, তাজুল ইসলাম একে স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। আজও তার একটি পরীক্ষা ছিল। খবর পেলাম তাজুলকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছে। এসে দেখি বেঁচে নেই।

আরও পড়ুন  জাপানের সঙ্গে ২০০ কোটি ডলারের ঋণ সমঝোতা হতে পারে

তিনি বলেন, আমার শ্বশুর মোশারফ হোসেন কাতার প্রবাসী। তবে কী কারণে বা কারা তাকে হত্যা করেছে এ বিষয়ে জানতে পারিনি। তারা কদমতলী থানার কুদারবাজার এলাকার ৮৩/১ বাসায় থাকতো। তারা এক ভাই ও এক বোন। সে ছিল সবার ছোট।

এ ঘটনায় মো. সায়েম নামে আরও এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়ে ঢামেক হাসপাতালে আছে। সেও একই স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে।

আহত সায়েমকে নিয়ে আসা মুশফিক বলেন, আমি ও আরেক বন্ধু কোচিং শেষে ফেরার পথে দেখি সায়েম রক্তাক্ত অবস্থায় দনিয়া কলেজের পাশে পড়ে আছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে এসেছি। বর্তমানে জরুরি বিভাগের ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম শুরু

মুশফিক জানায়, সেখানে অনেকেই মারামারি করছিল। তাদের মধ্যে কায়েস নামে একজনকে চিনতে পেরেছি। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। আমি আদর্শ স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছি আর সায়েম এ কে স্কুল থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে। হাসপাতালে এসে শুনি এই ঘটনায় তাজুল ইসলাম নামে আরও একজন মারা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুল আলম বলেন, তাজুল ইসলাম নামে এক ছাত্র নিহত ও সায়েম নামের আরেকজন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছে বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থল ও ঢাকা মেডিকেলে পুলিশের টিম পাঠিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, কি কারণে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো জানতে পারিনি। তদন্ত চলছে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

আরও পড়ুন  মোখার আঘাতে উপকূল রক্ষা পেলেও, ধাক্কা লেগেছে অর্থনীতিতে

এম.নাসির/১০

আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ