
নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নয়ন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, রাজধানীতে সরকারি অফিসগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে সুশাসন সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলেছেন, ‘ঢাকা শহরের যত সরকারি দপ্তর আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুশাসনের দপ্তর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এখানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূণ্য সহনশীলতা।’
রাজধানীর নগর ভবনে মঙ্গলবার (১৬মে) দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বছরব্যাপী উন্নয়ন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলে মেয়র তাপস।
এসময় তিনি দখলমুক্ত ও খনন করে বুড়িগঙ্গা নদী আদিরূপ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে বলে জানান।
শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আদি বুড়িগঙ্গা ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। দখলমুক্ত করে নদীর পাড়ে মানুষের চলাচলের পথ তৈরি করা হচ্ছে। পুনঃখনন করা হচ্ছে নদীর তলদেশ।
মেয়র বলেন, মৃত নদীকে আবারও নান্দনিক নদীতে প্রতিষ্ঠা করার কাজ চলছে। ধোলাইখাল জলাশয় নান্দনিক করে গড়ে তোলা হবে।
এছাড়া শ্যামপুর, মান্ডা, জিরানী ও কালুনগর খালের সীমানা নির্ধারণ করে খালগুলোকে নৌপথের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
ডিএসসিসির মেয়র বলেন, কোন কাজই বাদ দেয়নি। সব ধরণের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে পরিকল্পনার পাশাপাশি মানোন্নয়নে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করেছি।
‘মূল পরিকল্পনায় পাঁচটি ভাগ ছিল। ঐতিহ্যের বলয়, সুন্দর ঢাকা, সচল ঢাকা, সুশাসন ও উন্নয়ন।’
গত তিনবছরে সেই পরিকল্পনার অনেকটাই বাস্তবায়ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তাপস।
তিনি বলেন, আগে সামান্য বৃষ্টিতেই ঢাকার ৭০ ভাগ তলিয়ে যেত, জলাবদ্ধতা হতো। মানুষজন নৌকাও নামাত। আমরা মূল সমস্যার জায়গাগুলোকে চিহ্নিত করি। সব খাল, ড্রেনসহ পানি নিষ্কাশনের অবকাঠামো বুঝে নেই।
ধাপে ধাপে উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ করার ফলে ‘সুনির্দিষ্ট কয়েকটি স্থান’ ছাড়া ঢাকা শহরে এখন আর জলাবদ্ধতা হয় না বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, ১৩৬টি জলাবদ্ধতার স্থান চিহ্নিত করে সেখানে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। অতিবৃষ্টি হলেও আধাঘন্টার মধ্যে পানি নেমে যাওয়ার মত ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বাকি জায়গাগুলোতেও কাজ চলছে জানিয়ে ফজলে নূর তাপস বলেন, খাল, বক্স কালভার্ট, নর্দমা পরিষ্কার করে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।
মেয়রের দায়িত্ব নেয়ার তিন বছরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান তাপস।
তিনি বলেন, ৮০ ভাগ বর্জ্যই এখন সংগ্রহ করা হয়। অল্প কিছু জায়গায় উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য রাখা হয়। সেখানেও এসটুএস তৈরি করা হবে।
এম.নাসির/১৬



