
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মিসভা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে মোহাম্মদপুর থানা যুবদলের উদ্যোগে এ কর্মিসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দীন জুয়েল, প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দেন যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম আহসান মাসুম, বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান টিটু।শরীফ উদ্দীন জুয়েল বলেন, ‘সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খলভাবে ঢেলে সাজানোই কর্মিসভার লক্ষ্য।
যারা আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, যারা জেল-জুলুমের শিকার হয়েছে, যারা দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলেছে তারাই একমাত্র যুবদলে স্থান পাবে।’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ব্ক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রকৃত কর্মী চেনা যায় দুই সময়ে। দুঃসময়ে যে ছেড়ে যায় না এবং সুসময়ে যে চরিত্র হারায় না।’ তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর হাসিনা সরকারের পলায়নের পর যারা চরিত্র হারায়নি তারাই যুবদলে প্রাধান্য পাবে।
তিনি আরো বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট মাফিয়া দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, কিন্তু তার দোসররা এখনো সক্রিয় আছে। তারা বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। আপনারা যেইভাবে দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে অবশেষে ৫ আগস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সফলতা অর্জন করেছেন ঠিক তেমনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধেও আপনারা যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনী-বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে সৃষ্ট স্নায়ুযুদ্ধের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা (ভারত) বাংলাদেশবিরোধী যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন, বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের সেই উদ্দেশ্য কখনো সফল হতে দেবে না। প্রয়োজনে নিজেদের বুকের তাজা রক্ত দেবে, কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও ছেড়ে দেবে না।’
এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন জুয়েল। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি অতিদ্রুত একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান জানান।



