সিকদার গ্রুপের মালিক পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিদেশে পাচারের অভিযোগ থাকা সম্পদ উদ্ধারে ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলার (১২৫ মিলিয়ন ডলার) চেয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠান আর১ কনসোর্টিয়াম। প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি ডলারের সম্পদ শনাক্ত করেছে বলে জানানো হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের উপস্থিতিতে সিকদার গ্রুপকে ঋণ দেওয়া সাতটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তাবটি তুলে ধরা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, এই খরচ শুরুতে সাতটি ব্যাংককেই বহন করতে হবে।
অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকঋণের অর্থ বিভিন্ন সময়ে বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে। আর১ কনসোর্টিয়াম এখন ব্যাংকগুলোর নথিপত্র পর্যালোচনা করছে, যাতে শনাক্ত সম্পদ উদ্ধারযোগ্য কি না, তা মূল্যায়ন করা যায়।
ঝুঁকিও আছে
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন, ১২৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করেও কিছুই উদ্ধার না হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। প্রস্তাবটি প্রতিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপন করা হবে। পর্ষদ সম্মত হলে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি সই হবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক


