কুমিল্লা নগরের কান্দিরপাড়ের টাউন হল মাঠ, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কিংবা রেলস্টেশন এলাকায় এক মাস আগেও গভীর রাতে মাদকের আসর, মোটরসাইকেলের মহড়া আর ছিনতাইয়ের ভয় ছিল। টানা এক মাসের কিশোর গ্যাং দমন অভিযানের পর সেখানে এখন মানুষ রাতেও নির্ভয়ে চলাচল করতে পারছেন।
কিশোর গ্যাং দমন: এক মাসে যা হয়েছে
সেপ্টেম্বরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের স্কুলপড়ুয়া সন্তানের নৃশংস হত্যার পর জনদাবির মুখে জেলাজুড়ে চিরুনি অভিযানে নামে পুলিশ। এক মাসে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়। প্রথম আলোর সম্পাদকীয়তে এই কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপকে প্রশংসনীয় বলা হয়েছে।
তবে প্রশ্ন হলো, অভিযান শেষ হলে কী হবে? বিশ্লেষকদের মতে, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে কিশোরদের জন্য খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও কাউন্সেলিংয়ের সুযোগ বাড়ানো না গেলে এই সাময়িক স্বস্তি টেকসই হবে না। রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধ করাও জরুরি।
আরও পড়ুন: বিশ্লেষণ: সৌদি সংকট দীর্ঘ হলে কতটা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (সম্পাদকীয়)
ছবি: Ibrahim Husain Meraj / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0) — মূল ছবি


