Wednesday, September 16, 2026

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাসহ কারাগারে ২

জয়পুরহাট সংবাদদাতা

ভূয়া সংস্থা ও প্রকল্প দেখিয়ে জেলা পরিষদের ৪টি বরাদ্দের ৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় বম্বু ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান আলীসহ দুইজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে তারা দুইজন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তারা দুইজন হলেন- জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান আলী (৩৫) ও ধারকী মাঝিপাড়া গ্রামের ফারাজ উদ্দীনের ছেলে রাজু আহমেদ (৩৭)। এ মামলার অপর আসামি হলেন- ধারকী মাঝিপাড়া গ্রামের ফারাজ উদ্দীনের ছেলে রাজু আহমেদ।

আরও পড়ুন  রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচন : কাউন্সিলর প্রার্থী কোন ওয়ার্ডে কতজন

মামলার বিবরণ ও দুদকের অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে জয়পুরহাট জেলা পরিষদের এডিপি বরাদ্দের সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের মাতৃভূমি বহুমূখী উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়নের জন্য ২ লাখ টাকা, হাজিপাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির উন্নয়নের জন্য ২ লাখ, ধারকী ফকিরপাড়া জামে মসজিদের জন্য ১ লাখ টাকা ও ধারকী মাতৃভূমি বহূমূখী উন্নয়ন সংস্থার জন্য মোট ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

এর মধ্যে ধারকী ফকিরপাড়া জামে মসজিদের জন্য ২২ হাজার টাকা খরচ করা হয়। এই ৪ প্রকল্পের অবশিষ্ট ৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকা তারা ভূয়া পিআইসি কমিটি গঠন করে ও কোনো কাজ না করেই আত্মসাৎ করেন। মসজিদ ছাড়া ৩টি সমিতি কাগজে কলমে থাকলেও বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পুলিশ সুপার পদের ৩৩ কর্মকর্তাকে বদলি

এ ঘটনায় ধারকী বড়াইল পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে মাহবুবুল আলম বাবু বাদি হয়ে ২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি জয়পুরহাট আদালতে ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বগুড়া কার্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করেন।

পরে দুদুকের বগুড়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর আলম মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে শাজাহান ও রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৪০৯/১০৯ ধারায় বিচার প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া মামলার অন্য ৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

এম.নাসির/১৭

আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ