
লঘুচাপের প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতেও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
বৃষ্টিপাতের ফলে রাজধানীর শাহবাগ, শান্তিনগর, মিরপুর, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। রাস্তাগুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজধানীতে ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টা লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে আগামী দু–তিন দিন বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে আজ দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে, ৯০ মিলিমিটার। তবে ঢাকায় দিনে সামান্য বৃষ্টি হলেও সন্ধ্যার পর বৃষ্টি বাড়তে থাকে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে আগামী দু–এক দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা থেকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা এক থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
আগামী শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।



