
রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা সবচেয়ে বেশি। এই ইউনিয়নে অন্তত পাঁচটি কিশোর গ্যাং রয়েছে। মুড়াপাড়ায় রয়েছে চারটি কিশোর গ্যাং, তারাব পৌরসভায় পাঁচটি এবং কাঞ্চন পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গড়ে উঠেছে অন্তত তিনটি কিশোর গ্যাং। এ ছাড়া ভুলতা ইউনিয়নে দুটি কিশোর গ্যাং সক্রিয়। গোলাকান্দাইল ইউনিয়নে অন্তত দুটি কিশোর গ্যাং রয়েছে। রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ৩০০ ফুট সড়ককেন্দ্রিক নানা অপরাধে জড়াচ্ছে দুটি কিশোর গ্যাং। ভোলাব ইউনিয়নে দুটি এবং দাউদপুর ইউনিয়নে দুটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল বাশার রুবেল বলেন, কিশোর সংশোধন আইন আছে। কিন্তু যে হারে কিশোর গ্যাং বেড়েছে আরো কঠোর আইন হওয়া দরকার।
রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাং অনেকটা কমে গেছে। বেশ কিছু অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আরো অভিযান পরিচালনা করা হবে।



