রবিবার, নভেম্বর 1, 2026

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

৩০ কোটি ডলারের প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে ওয়াই কম্বিনেটরে তিন বাংলাদেশির স্টার্টআপ

বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্টার্টআপ অ্যাক্সিলারেটর ওয়াই কম্বিনেটরের ২০২৬ সালের ফল ব্যাচে জায়গা করে নিয়েছে সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক স্টার্টআপ টিলিয়ন। প্রতিষ্ঠানটির চার সহপ্রতিষ্ঠাতার তিনজনই বাংলাদেশি—মো. শাহরিয়ার ইসলাম আরহাম, কাজী ফারদিনুল হক ও আবদুল বাসিত তন্ময়। চতুর্থজন ভারতের আরমান লুথরা। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াই কম্বিনেটরে আবেদনকারীদের মাত্র ১ শতাংশের মতো সুযোগ পায়। এয়ারবিএনবি, স্ট্রাইপ, রেডিট এবং বাংলাদেশের চালডালও এর সাবেক শিক্ষার্থী।

এআই এজেন্টের জন্য ব্রাউজার

টিলিয়নের লক্ষ্য এআই এজেন্টদের মানুষের মতো স্বচ্ছন্দে ওয়েবে কাজ করতে দেওয়া। হাজার হাজার এজেন্ট একসঙ্গে চললে পেজ লোডে দেরি বা ব্রাউজার সেশন ভেঙে পড়ায় কাজ মাঝপথে আটকে যায়। টিলিয়ন এজেন্টদের জন্য আলাদা ব্রাউজার অবকাঠামো বানাচ্ছে, যাকে ওয়াই কম্বিনেটর বলছে ‘সেলফ-হিলিং’—একটি সেশন ব্যর্থ হলে আরেকটি কাজটি তুলে নেয়। এক লাইনের কোডে একসঙ্গে অনেক ব্রাউজার ভাড়া নিয়ে নিজেদের সিস্টেমে যুক্ত করা যায়।

আরও পড়ুন  এআই দিয়ে তৈরি নকল ছবি শনাক্ত করবে গুগল

এর মূল প্রযুক্তি ক্রোমিয়ামভিত্তিক ওপেন সোর্স ইঞ্জিন ‘ফোর্ট্রেস’। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ১৭০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী এটি ব্যবহার করছেন এবং পাইপিআই ও ডকারে ডাউনলোড ১ লাখ ছাড়িয়েছে। মাত্র চারজনের দল হয়েও স্বাধীন বেঞ্চমার্কে একাধিকবার প্রায় ৩০ কোটি ডলার মূল্যমানের মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাউজারবেসকে পেছনে ফেলেছে টিলিয়ন।

আবদুল বাসিত তন্ময়ের ভাষায়, এআইয়ের পরের বড় অগ্রগতি আরও স্মার্ট উত্তর নয়, বরং নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে পারা এআই। আরমান লুথরা বলেন, তাঁরা এমন এক পৃথিবী দেখেন, যেখানে একঘেয়ে কাজ করবে এজেন্ট আর মানুষ সময় দেবে সৃজনশীলতায়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

ছবি: Crew crew / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0) — মূল ছবি

আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ