ফিফার নতুন টুর্নামেন্ট অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে টানা দুই ম্যাচ টাইব্রেকারে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে চলা প্রথম আসরে অংশ নিচ্ছে ১৮৯টি দেশের কিশোর দল।
টিয়ার-ই-এর শেষ বত্রিশে সেশেলসের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ে ১-১ ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জেতে বাংলাদেশ। বুধবার শেষ ষোলোয় সিঙ্গাপুরের সঙ্গেও ১-১ ড্র, এরপর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয়। এখন লক্ষ্য সেমিফাইনাল।
কেমন এই অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ
প্রচলিত বিশ্বকাপের সঙ্গে এর বড় পার্থক্য আছে। বাছাইপর্বে গ্রুপে অবস্থান অনুযায়ী দলগুলোকে ছয়টি স্তরে (টিয়ার এ থেকে এফ) ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি স্তরে আলাদা চ্যাম্পিয়ন হবে, তবে শুধু টিয়ার-এ জয়ী দলই মূল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। হারলেও কোনো দল বিদায় নেয় না, পরাজিত দলগুলো একে অপরের সঙ্গে খেলে শেষ দিন পর্যন্ত মাঠে থাকে।
খেলার নিয়মও আলাদা—প্রতিটি দলে গোলরক্ষকসহ আটজন, ম্যাচ ২০ মিনিট করে দুই অর্ধে মোট ৪০ মিনিট, মাঠ ছোট, রোলিং সাবস্টিটিউশন এবং থ্রো-ইনের বদলে কিক-ইন। উদ্দেশ্য, কিশোরদের বেশি বল ছোঁয়ার ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া। ৩০ অক্টোবর শেষ হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে প্রায় এক হাজার ম্যাচ হচ্ছে।
বাছাইপর্বে বাংলাদেশ
গ্রুপ জি-তে বাংলাদেশ ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হার, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ১-১ ড্র, বুরুন্ডির কাছে ২-০ গোলে হার এবং ফিজিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম হয়। ফলে দলটির জায়গা হয় টিয়ার-ই-তে। গ্রুপসেরা ওয়েলস খেলছে টিয়ার-এ, পর্তুগাল টিয়ার-বি-তে।
আরও পড়ুন: আর্সেনালকে বিদায় করে কারাবাও কাপে চতুর্থ স্তরের ফ্লিটউডের অঘটন
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
ছবি: Frode H. Korneliussen / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0) — মূল ছবি


