বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 29, 2026

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

সাজেক সড়কে টানা সাত দিন অবরোধ, প্রধান দাবিতে অনড় আন্দোলনকারীরা

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক সড়কে অবরোধ টানা সাত দিনে গড়িয়েছে। পাঁচ দফা দাবির চারটিতে প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা হলেও মূল দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালেও সড়কের কয়েকটি স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

সাজেক সড়কে অবরোধের মূল দাবি

খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া জানান, সোমবার প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে চারটি দাবিতে সমঝোতা হয়েছে। তবে সাজেক থেকে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা বলেন, সরকার ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে, কিন্তু নির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়ায় অবরোধ চলবে। সরকার আলোচনায় বসলে তাঁরা প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন  সন্তানের সামনে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ২২ অক্টোবরের হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ, আহতদের চিকিৎসা ব্যয় বহন, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং হয়রানি ও তল্লাশি বন্ধ করা।

পর্যটনে অনিশ্চয়তা

১১ অক্টোবর থেকে আন্দোলন শুরু হয়; পূজার ছুটির পর ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হয় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ। সেদিন উজোবাজার এলাকায় সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয় এবং সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েন ২ হাজার ৯৩৩ জন পর্যটক, যাঁদের পরে সেনা ও পুলিশের পাহারায় খাগড়াছড়িতে নেওয়া হয়। রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং শিগগিরই সমাধান হবে।

আরও পড়ুন: সাজেক সড়কে টানা অবরোধ, সমাধানে কমিটি গঠন

তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ

ছবি: G.B. G.Son / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0) — মূল ছবি

আরও পড়ুন  শুক্রবার মধ্যরাত থেকে, সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ