মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির বিরুদ্ধে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এ ধরনের ঘটনায় রাজস্ব ও জরিমানা বাবদ আদায় হয়েছে ৫৮ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকার চেয়ে ৮৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
কাস্টম হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার তথ্য অনুযায়ী, এই তিন মাসে ৪৬৭টি চালান আটকানো হয়েছে, আগের বছর যা ছিল ৩৬১টি। মামলা হয়েছে ২৭০টি, আগের বছর ছিল ১৯৯টি।
জেনারেটরের নামে সোলার পণ্য
সেপ্টেম্বরে ধরা পড়া একটি চালানে চীন থেকে জেনারেটর আমদানির ঘোষণা দেওয়া হলেও পরীক্ষায় ১৩ হাজার ৩৩৫ কেজি অঘোষিত পণ্য পাওয়া যায়, যার মধ্যে ছিল সোলার স্ট্রিটলাইট, ইনভার্টার ও লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি। প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আরেকটি চালানে ঘোষণার চেয়ে ৭২ হাজার ৫০০ কেজি বেশি সিমলেস পাইপ পাওয়ায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র শরীফ আল আমিন জানিয়েছেন, ডিজিটাল ব্যবস্থা ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে। ব্যবসায়ী নেতারা কঠোর শাস্তির পক্ষে মত দিলেও অতিরিক্ত পরীক্ষায় বৈধ পণ্য খালাসে যেন দেরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড


