২০২৫ সাল শেষে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৪৩ কোটি ডলার, যা ২০১৫ সালে ছিল ৩ হাজার ৮৭৭ কোটি ডলার। অর্থাৎ ১০ বছরে ঋণ বেড়েছে প্রায় তিন গুণ।
গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট-২০২৬’-এ এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ঋণের স্থিতি বেড়েছে ৮.৬ শতাংশ।
তবে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতার বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো তুলনামূলক সহনীয় বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। মোট জাতীয় আয়ের (জিএনআই) তুলনায় বিদেশি ঋণের অনুপাত এখন ২৪ শতাংশ।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য বলছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫.৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে নতুন ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে ১২৭.৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের মতো বড় প্রকল্পের কিস্তি শুরু হলে সামনের দিনে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে। কর্ণফুলী টানেল ও মেট্রোরেলের কিস্তি এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক, জাগো নিউজ।


