কানাডা ও রাশিয়া থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টন মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই পটাশ সার আমদানি খাতে খরচ হবে প্রায় ৭০৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা কৃষি ভর্তুকির বাজেট থেকে মেটানো হবে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এ-সংক্রান্ত চারটি প্রস্তাব অনুমোদন পায়। প্রস্তাবগুলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে কৃষি মন্ত্রণালয় উপস্থাপন করে।
কোন দেশ থেকে কত সার
কানাডার বাণিজ্যিক করপোরেশন থেকে দুই চালানে মোট ৮০ হাজার টন সার আসবে, ব্যয় ৩৭৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। রাশিয়ার ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন থেকে দুই চালানে আসবে ৭০ হাজার টন, ব্যয় প্রায় ৩৩১ কোটি টাকা। দুই দেশ থেকেই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তিতে প্রতি টন ৩৮২.৩৮ মার্কিন ডলার দরে সার কেনা হচ্ছে। প্রতিটি চালানে প্রয়োজনে ১০ শতাংশ বেশি আনার সুযোগ রাখা হয়েছে।
পটাশ সার আমদানির বছরের লক্ষ্য
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিএডিসির মাধ্যমে মোট ৭ লাখ ১৬ হাজার টন পটাশ সার আমদানির লক্ষ্য রয়েছে। এর আগে কানাডা থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার টন এবং রাশিয়া থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টন আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
ধান, গম, আলু ও সবজি চাষে পটাশ গুরুত্বপূর্ণ সার। দেশে এর উৎপাদন না থাকায় পুরো চাহিদাই আমদানিনির্ভর। আমন-পরবর্তী রবি মৌসুম সামনে রেখে সময়মতো সার পৌঁছানো কৃষকদের জন্য জরুরি।
আরও পড়ুন: সারের দাবিতে হাতীবান্ধায় কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ
তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ
ছবি: Quintin Soloviev / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 4.0) — মূল ছবি


