সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় হতে বয়স কোনো বাধা নয়—এ কথা প্রমাণ করছেন কয়েকজন প্রবীণ নারী। কারও বয়স ৯৬, কারও ৮০ পেরিয়েছে। ফ্যাশন, রান্না কিংবা ঘর সামলানোর টিপস দিয়ে তাঁরা লাখো তরুণের মন জয় করেছেন, ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করে আয়ও করছেন। বিবিসির প্রতিবেদনের বরাতে এসব ‘গ্র্যান্ডমা’ বা দাদিমা ইনফ্লুয়েন্সারদের গল্প তুলে ধরেছে হাল ফ্যাশন।
৯৬ বছরের তারকা
লিলিয়ান দ্রোনিয়াক, অনুসারীদের কাছে ‘গ্র্যান্ডমা দ্রোনিয়াক’। ২০২০ সালে নাতির সহায়তায় অবসরের একঘেয়েমি কাটাতে ভিডিও পোস্ট শুরু করেন। এখন তাঁর অনুসারী প্রায় দেড় কোটি, ব্র্যান্ডের কাজ থেকে মাসে আয় প্রায় ১২ হাজার ডলার। সেই টাকায় নিজের পরিচর্যাকেন্দ্রের খরচ চালান, প্রপৌত্রদের পড়াশোনার জন্যও সঞ্চয় করেন।
রঙিন ফ্যাশন আর দাদির রান্না
যুক্তরাজ্যের কার্ডিফের ৮২ বছর বয়সী ভিভ ট্রুরান স্বামীকে হারানোর পর রঙিন পোশাকের ভিডিও দেওয়া শুরু করেন; এখন ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারী আট লাখের বেশি। শোবার ঘরকেই বানিয়েছেন স্টুডিও, প্রতিদিন দুটি ভিডিও দেন। ৮৩ বছরের গ্রেস গেরামিটা ‘নোনা গ্রেসি’ নামে পরিচিত—ইতালীয় পারিবারিক রেসিপির ভিডিওতে তাঁর অনুসারী কয়েক মিলিয়ন। ৭৭ বছরের সাবেক শিক্ষক বারবারা কস্টেলো ‘ব্রাঞ্চ উইথ ব্যাবস’ নামে রান্না ও ঘর গোছানোর টিপস দেন।
দাদিমা ইনফ্লুয়েন্সার কেন এত জনপ্রিয়
ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান উই আর সোশ্যালের নাওমি বার্কারের মতে, প্রবীণ কনটেন্ট নির্মাতাদের সঙ্গে অনুসারীদের সম্পর্ক গভীর ও বিশ্বস্ত, আর তাঁদের অনুসারীদের ক্রয়ক্ষমতাও থাকে। অনেকের কাছে তাঁরা হয়ে উঠেছেন ‘ভার্চুয়াল দাদি’—বিশেষ করে যাঁরা পরিবার থেকে দূরে থাকেন। তাঁদের সাফল্য বলছে, অভিজ্ঞতা, রুচি আর মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরির ক্ষমতা থাকলে নতুন কিছু শুরু করার বয়স কখনো ফুরায় না।
আরও পড়ুন: গাউন থেকে শাড়ি: মারিয়া শান্তর ফ্যাশন ডায়েরিতে নজরকাড়া লুক
তথ্যসূত্র: হাল ফ্যাশন
ছবি: Shixart1985 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0) — মূল ছবি


