বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 29, 2026

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

পঞ্চগড় থেকে ক্যামেরায় এভারেস্ট, আট বছরের অনুসন্ধান সফল আলোকচিত্রী ফিরোজের

পঞ্চগড় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়—এ কথা এখন অনেকেরই জানা। কিন্তু পঞ্চগড় থেকে এভারেস্ট? আলোকচিত্রী ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণকর্মী ফিরোজ আল সাবাহ বলছেন, সম্ভব। আট বছরের অনুসন্ধান শেষে ২৬ অক্টোবর সকালে পঞ্চগড়ের একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে মাটিতে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের ছবি তুলেছেন তিনি, ড্রোনে ধারণ করেছেন হিমালয়ের বিস্তৃত ভিডিও। প্রথম আলোর জীবনধারা ম্যাগাজিন হাল ফ্যাশনকে এ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

একটি প্রশ্ন থেকে শুরু

২০১৮ সালে ফিরোজের মনে প্রশ্ন জাগে—কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলে এভারেস্ট কেন নয়? পর্বতের উচ্চতা, দূরত্ব আর পৃথিবীর বক্রতা হিসাব করে তিনি দেখেন, দৃষ্টিপথ পরিষ্কার থাকলে তা সম্ভব। পঞ্চগড় থেকে এভারেস্টের দূরত্ব প্রায় ২৬০-২৭০ কিলোমিটার। ২০১৯ সালে ড্রোনে প্রথম আভাস মিললেও ছবি স্পষ্ট ছিল না। ২০২২ সালে ছবি প্রকাশ করলে প্রশংসার পাশাপাশি সংশয় ও ব্যঙ্গও শুনতে হয়েছে তাঁকে। এ বছর দুই দিন অসাধারণ দৃশ্যমানতা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন  দুপুরে ভাত খেলে ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে

পঞ্চগড় থেকে এভারেস্ট দেখতে কী লাগে

ফিরোজের অভিজ্ঞতায়, বর্ষা শেষে শীতের আগে উত্তরের শুষ্ক বাতাসে বায়ুমণ্ডল পরিষ্কার হলে দূরের দৃশ্য দেখা যায়। তবে পুরো ২৭০ কিলোমিটার পথ মেঘ, কুয়াশা ও ধুলামুক্ত থাকতে হয়; নেপালের মাঝের কোনো পাহাড়ে মেঘ জমলেই দৃশ্য হারিয়ে যায়। বছরে বড়জোর দুই থেকে চার দিন এমন সুযোগ আসতে পারে। একই স্থান থেকে মাকালু, লোৎসে ও চামলাংয়ের মতো শৃঙ্গও দেখা যায় বলে জানান তিনি।

তবে স্থানটির সঠিক অবস্থান প্রকাশ করতে চান না ফিরোজ। তাঁর আশঙ্কা, অপরিকল্পিত পর্যটকের ভিড়ে জায়গাটির পরিবেশ নষ্ট হতে পারে। প্রকৃতি উপভোগের সঙ্গে তা রক্ষার দায়িত্বও নিতে হবে—এটাই তাঁর বার্তা।

আরও পড়ুন: তাপমাত্রা ও কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়ার নতুন বার্তা

আরও পড়ুন  ভরিতে ৩,৩২৪ টাকা কমল সোনার দাম, ২২ ক্যারেট এখন ২,২০,৮৫৮ টাকা

তথ্যসূত্র: হাল ফ্যাশন (প্রথম আলো)

ছবি: MD sajjad hossain photography / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0) — মূল ছবি

আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ