রং ও কোটিংয়ে ব্যবহৃত বিষাক্ত রঞ্জক লেড ক্রোমেট দেশে কী পরিমাণ ঢুকছে, তা নির্ণয় করতে পারছে না বাংলাদেশ। কারণ রাসায়নিকটির জন্য আলাদা কোনো শুল্ক কোড নেই।
ঢাকায় এক গোলটেবিলে উপস্থাপিত পরিবেশবাদী সংগঠন এসডোর গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক সংগঠন আইপেন এতে সহযোগী ছিল।
গবেষণা বলছে, লেড ক্রোমেট যে এইচএস কোডে আসে, সেখানে সিসামুক্ত ক্রোমিয়াম রঞ্জকও অন্তর্ভুক্ত। ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ওই কোডে আমদানি ৫১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৪ লাখ ২৭ হাজার কেজি থেকে ৬ লাখ ৪৫ হাজার কেজিতে দাঁড়িয়েছে।
সিসা শিশুদের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে। তাই গবেষকেরা লেড ক্রোমেটের জন্য আলাদা শুল্ক কোড চালুর তাগিদ দিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, এসডো।


