সৌদি নিয়োগকর্তারা বিমানভাড়াসহ সব খরচ বহন করেন, তবু বাংলাদেশি কর্মীদের কেন অভিবাসন ব্যয় দিতে হয়—ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে উবাইয়ার এমন প্রশ্ন রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সামনে তুলে ধরেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর।
রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এ প্রসঙ্গ ওঠে। এ সময় এজেন্সির প্রতিনিধিরা ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানান। পরে প্রতিমন্ত্রী স্বীকার করেন, ভারত ও পাকিস্তানের কর্মীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার জন্য অর্থ দিতে হতে পারে।
সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাস
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। অভিবাসন ব্যয় ও মেডিকেল পরীক্ষার ফি কমানো নিয়ে দুই দিনের মধ্যে এজেন্সি মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী জানান, ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকার সৌদি দূতাবাস ৩ লাখ ১০ হাজার ৪১৫টি কাজের ভিসাসহ মোট ৮ লাখ ৬২৩টি ভিসা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: কৃষকের প্রণোদনার চেক নিলেন বিএনপির এমপি, প্রশ্ন উঠেছে
তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
ছবি: Md Shaifuzzaman Ayon / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0) — মূল ছবি


