কারখানায় বসানোর জায়গা না থাকায় আমদানি করা ৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের নতুন যন্ত্রপাতি তুরস্কে ফেরত পাঠাতে চায় লিজ টোব্যাকো মেশিনারি কোম্পানি লিমিটেড। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরের যৌথ মালিকানার শতভাগ রপ্তানিমুখী এ প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শর্তসাপেক্ষে শুল্ক-করমুক্ত পুনঃরপ্তানি অনুমোদনের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পাঠিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
কী আছে আবেদনে
প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবস্থিত। ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল তারা এক সেট নতুন ‘সি-উইড প্রোডাকশন লাইন’ আমদানি করে। পরে কারখানায় জায়গার সংকুলান না হওয়ায় ৫ অক্টোবর যন্ত্রটি মূল সরবরাহকারীর মনোনীত তুর্কি প্রতিষ্ঠানের কাছে ফেরত পাঠানোর অনুমতি চায়। প্রতিষ্ঠানের দাবি, যন্ত্রটি দেশে স্থাপন বা উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়নি এবং আমদানির বিপরীতে পরিশোধিত অর্থ দেশে ফেরত আনা হয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের সরেজমিন পরিদর্শনেও যন্ত্রটি সম্পূর্ণ নতুন ও অব্যবহৃত পাওয়া গেছে।
পুনঃরপ্তানির শর্ত
এনবিআরের প্রস্তাব অনুযায়ী পুনঃরপ্তানির আগে বাংলাদেশ ব্যাংক, লিয়েন ব্যাংক ও বেপজার অনাপত্তিপত্র এবং বৈদেশিক মুদ্রা প্রত্যাবাসনের প্রমাণ জমা দিতে হবে। একজন সহকারী কমিশনারের তত্ত্বাবধানে যন্ত্রের শতভাগ কায়িক পরীক্ষা হবে এবং কাস্টমসের উপস্থিতিতে কনটেইনার সিল করতে হবে। দেশের কোনো উৎস থেকে এ জন্য বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে পাঠানো যাবে না। ছাড়পত্র পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে পুনঃরপ্তানি শেষ করতে হবে এবং পরের ১৫ দিনের মধ্যে শিপিং দলিল জমা দিতে হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এনবিআর তাদের প্রক্রিয়া শেষ করেছে; এখন অর্থমন্ত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: ৬ সহযোগিতা নথি সই, ২৯.৫৫ কোটি ডলার ঋণের প্রতিশ্রুতি
তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ
ছবি: Moheen Reeyad / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0) — মূল ছবি


