প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়াই বড় বেসরকারি কোম্পানিগুলোর জন্য শেয়ারবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির পথ আবার খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ জন্য ‘সরাসরি তালিকাভুক্তি বিধিমালা ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
সরাসরি তালিকাভুক্তিতে কোম্পানি নতুন শেয়ার ছাড়ে না, বিদ্যমান শেয়ার বাজারে লেনদেনের জন্য আসে। ২০০৬ সালে এই পদ্ধতি চালু হলেও দর নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় পরে তা সীমিত করা হয় এবং ২০১৬ সাল থেকে শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য সুযোগটি ছিল।
কারা যোগ্য
- বার্ষিক টার্নওভার অন্তত ১ হাজার কোটি টাকা অথবা নিট সম্পদ অন্তত ৫০০ কোটি টাকার ব্যাংক ও বিমা কোম্পানি
- বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি ও সরকারের অংশীদারত্ব থাকা প্রতিষ্ঠান
- অন্তত পাঁচ বছর ধরে চালু থাকা, আগের দুই বছর মুনাফা এবং কোনো পুঞ্জীভূত লোকসান না থাকা
- কোম্পানি বা পরিচালকেরা ঋণখেলাপি হতে পারবেন না
বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা
নতুন বিধিমালায় স্বাধীন মূল্যায়নের মাধ্যমে দর নির্ধারণ, প্রথম দিনে দুই ঘণ্টার মূল্য আবিষ্কার পর্ব এবং উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রিতে বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এতে বড় ও ভালো কোম্পানি বাজারে আসার সুযোগ বাড়বে। তবে যোগ্যতা থাকলেই ন্যায্য দর ও তালিকাভুক্তির পর ভালো পারফরম্যান্স নিশ্চিত হয় না।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন


