বিদ্যুৎ সংযোগে জীবনমান বাড়লেও আয়ের তুলনায় বিদ্যুৎ বিল এখন বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেক পরিবারের জন্য। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এক সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৯ শতাংশ পরিবার এমন চাপের কথা জানিয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক গণসংলাপে সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ৩৩৪টি এবং ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌর এলাকার ২২২টি, মোট ৫৫৬টি পরিবারের ওপর সমীক্ষাটি চালানো হয়।
সুফল আছে, অভিযোগও আছে
সমীক্ষা বলছে, ৮৯ শতাংশ পরিবার মনে করে বিদ্যুতের কারণে তাদের জীবন উন্নত হয়েছে। গত এক দশকে ফ্রিজ রাখা পরিবারের হার ১০ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশ, টেলিভিশনের মালিকানা ৩৪ থেকে বেড়ে ৪৮ শতাংশ হয়েছে। রাতে বেশি নিরাপদ বোধ করার কথা বলেছেন ৯৭ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে ৫৫ শতাংশ পরিবার সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতাকে খারাপ বা খুব খারাপ বলেছে।
বিদ্যুৎ বিল দেখে দরিদ্র পরিবার শনাক্তের প্রস্তাব
ক্যাব বলছে, নিয়মিত মিটার রিডিং বিশ্লেষণ করে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী পরিবারকে চিহ্নিত করা গেলে দরিদ্র পরিবার শনাক্তে আলাদা ব্যয়বহুল জরিপের প্রয়োজন কমবে। তবে বক্তারা সতর্ক করেন, চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকার অনেক মানুষ এখনো বিদ্যুৎ পান না, আবার অনেকে ভাগাভাগি করে সংযোগ ব্যবহার করেন; তাই শুধু ব্যবহারের পরিমাণ দেখে দারিদ্র্য নির্ধারণ ঠিক হবে না।
সমীক্ষায় ৩১টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৫০টি কলেজ এবং রাজশাহী ও শৈলকুপা এলাকার ছাদে মোট প্রায় ১৩২ মেগাওয়াট-পিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা পাওয়া গেছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে এ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বিদ্যুৎ খাতে জবাবদিহি নিশ্চিতের ওপর জোর দেন।
আরও পড়ুন: সেনাবাহিনীতে সফটওয়্যার প্রোগ্রামার পদে চাকরি, বেতন ৫০ হাজার পর্যন্ত
তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ
ছবি: CAPTAIN RAJU / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0) — মূল ছবি


