টানা পাঁচ দিন ধরে গাজীপুর, সাভার ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চল উত্তপ্ত। শতাধিক কারখানা বন্ধ, একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রধান রপ্তানি খাতে এমন অস্থিরতা অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি।
সরকার বলছে, নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অস্থিরতার পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন দেখছেন। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো বলছে, আন্দোলন ন্যায্য, দমন-পীড়ন সমাধান নয়। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মাঝে আসল প্রশ্নটি চাপা পড়ে যাচ্ছে—উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে শ্রমিকের বর্তমান মজুরি কি আদৌ যথেষ্ট?
শ্রমিকদের আস্থা ফেরাতে মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও সময়াবদ্ধ হওয়া দরকার। বহিরাগত উসকানি থাকলে তা চিহ্নিত করতে হবে প্রমাণসহ, কিন্তু সব আন্দোলনকে একই রঙে দেখলে ক্ষোভ আরও বাড়বে।
সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের ত্রিপক্ষীয় সংলাপ এখনই জোরদার করা জরুরি। শিল্প বাঁচাতে হলে আগে শ্রমিককে আস্থায় নিতে হবে।


