ব্যাংকের মূল ব্যবসা ঋণ দিয়ে সুদ আয় করা। অথচ চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে দেশের ২৭টি তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সম্মিলিত নিট সুদ আয় ঋণাত্মক হয়ে ৫ হাজার ৬২৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। অন্তত ছয় বছরে এমন চিত্র দেখা যায়নি।
এর পেছনে দুটি বড় কারণ—নতুন ঋণের চাহিদা কমে যাওয়া এবং খেলাপি ঋণের বিপুল বোঝা। খেলাপি ঋণ থেকে সুদ আসছে না, অথচ আমানতকারীদের সুদ ঠিকই দিতে হচ্ছে। ফলে ব্যাংকগুলো টিকে আছে মূলত সরকারি বন্ডের আয়ে।
এটি দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই নয়। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ না বাড়লে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানেও স্থবিরতা আসবে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে বাজার সামলাতে হচ্ছে।
খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোরতা, দুর্বল ব্যাংকের কার্যকর পুনর্গঠন এবং উদ্যোক্তাদের আস্থা ফেরানো—এই তিন কাজে দেরি হলে সংকট আরও গভীর হবে।


