কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং, মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে এক রাতের অভিযানে ২৩৬ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানা ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সব ইউনিট এ অভিযানে অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১০৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১২৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার বিকেলে জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য জানান।
কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এক মাসে আটক সাড়ে ৫ হাজার
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ধারাবাহিক এ অভিযান চলছে। এ পর্যন্ত আটক হয়েছে ৫ হাজার ৪৮২ জন; তাঁদের মধ্যে ২ হাজার ২০২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ৩ হাজার ২৮০ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছাড়া হয়েছে। এর আগের রাতে (বৃহস্পতিবার) ছয় ঘণ্টার অভিযানে ৩৫১ জন এবং ২২-২৩ অক্টোবর দুই রাতে ৪৫০ জন আটক হয়েছিল।
পুলিশ বলছে, কিশোরদের অপরাধ থেকে দূরে রাখা এবং নিরীহ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে তারা সতর্ক রয়েছে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া ছেলে নিখোঁজ হয়। পরদিন সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দুই কিশোরসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাঁদের সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ। এরপরই জেলায় কিশোর অপরাধ দমনে অভিযান জোরদার করা হয়।
আরও পড়ুন: এইচএসসির ফল প্রকাশ: পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেল ৪০ হাজার ৮৪ জন
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
ছবি: / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0) — মূল ছবি


