ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে পোশাকশিল্পে টানা কয়েক দিনের অসন্তোষে সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরে চার শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন অনেকে, মামলায় আসামি হাজার হাজার মানুষ। এ পরিস্থিতি শ্রমিক, মালিক কিংবা দেশের অর্থনীতি—কারও জন্যই ভালো নয়।
দ্রব্যমূল্য, বাড়িভাড়া আর যাতায়াত খরচ যেভাবে বেড়েছে, তাতে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্বিবেচনার দাবি অযৌক্তিক নয়। আবার মালিকপক্ষের রপ্তানি আদেশ, উৎপাদন খরচ ও প্রতিযোগিতার চাপও বাস্তব।
আন্দোলনে নাশকতার অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে, তবে সাধারণ শ্রমিকেরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটাও নিশ্চিত করা জরুরি।
আমাদের মত হলো, দ্রুত মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে শ্রমিক, মালিক ও সরকারের ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু করা দরকার। জীবনযাত্রার ব্যয়ের হালনাগাদ হিসাব সামনে রেখে একটি সময়সীমার মধ্যে সিদ্ধান্তে পৌঁছালে কারখানা খোলা রাখা এবং শ্রমিকের আস্থা ফেরানো—দুটোই সম্ভব।


